23

November

Photo Credit: https://goo.gl/d2DsnY

আলুটিলায় নিস্তব্ধ গুহায়

ভেতরের পিনপতন নিস্তব্ধতা ভেঙে বাদুর আর চামচিকার কিচির মিচির ওড়াউড়িতে মুখড় খাগড়াছড়িতে আলুটিলা গুহার প্রবেশ পথ। এখানে হাঁটা পথ বেশ দুর্গম। পাহাড়ি পথ বেয়ে নিচে নামতে হবে বেশ কিছুটা জায়গা। হাঁটতে হাঁটতে পাওয়া যাবে পাহাড় কেটে বানানো রিসাংয়ে যাওয়ার পথে। বিশাল পাথুরে জায়গার এক প্রান্ত থেকে অঝোরে বইছে এই জলপ্রপাত।

ভেতরের পিনপতন নিস্তব্ধতা ভেঙে বাদুর আর চামচিকার কিচির মিচির ওড়াউড়িতে মুখড় খাগড়াছড়িতে আলুটিলা গুহার প্রবেশ পথ। এখানে হাঁটা পথ বেশ দুর্গম। পাহাড়ি পথ বেয়ে নিচে নামতে হবে বেশ কিছুটা জায়গা। হাঁটতে হাঁটতে পাওয়া যাবে পাহাড় কেটে বানানো রিসাংয়ে যাওয়ার পথে। বিশাল পাথুরে জায়গার এক প্রান্ত থেকে অঝোরে বইছে এই জলপ্রপাত।

ঝিরি ঝিরি শব্দে পাহাড় বেয়ে বয়ে চলছে অবিরাম জলধারা। রিসাংয়ের চারপাশে পাহাড়ের নিস্তব্ধতা ভেঙে অবিরাম বয়ে চলছে রিসাংয়ের জলধারা। তবে শীতের শুরু থেকে গৃষ্ম অবধি ঝরনায় পানির প্রবাহ কম থাকে।

শহর থেকে প্রায় আট কিলোমিটার পশ্চিমে মহাসড়কের পাশেই রয়েছে আলুটিলা পাহাড়। রিসাং থেকে ফেরার পথে সড়কের পাশেই আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্রের দুয়ার।

প্রায় এক হাজার ফুট উঁচু এ পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়ালে পুরো খাগড়াছড়ি শহর পাখির চোখে দেখা যায়। পাহাড়ের বাঁকে বাঁকে সর্পিল ধারায় বয়ে চলা চেঙ্গী নদীর অপরূপ সৌন্দর্যও দেখা যায় এখান থেকে।

আলুটিলা পাহাড়ের প্রধান আকর্ষণ এর প্রাচীন একটি গুহাপথ। পাহাড়ের চূড়া থেকে ২৬৬টি ধাপের একটি সিঁড়ি নেমে গেছে গুহাপথের মুখে। গুহার ভেতর দিয়ে বয়ে চলছে শীতল জলধারা।

আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্রের প্রবেশ মূল্য জনপ্রতি ১০ টাকা। এছাড়া প্রবেশ পথের টিকেট কাউন্টারেই কিনতে পাবেন বাঁশের তৈরি মশাল। প্রতিটির মূল্যও ১০ টাকা।

ঢাকা থেকে সড়কপথে সরাসরি খাগড়াছড়ি যাওয়া যায়। এ পথে সেন্টমসার্টিন পরিবহনের এসি বাস চলাচল করে। ভাড়া ৯শ’টাকা। এছাড়া  সেন্টমার্টিন, শান্তি, শ্যামলী, সৌদিয়া ইত্যাদি পরিবহনের নন এসি বাসও চলে এ পথে। ভাড়া ৫২০ টাকা। চট্টগ্রামের অক্সিজেন থেকে শান্তি পরিবহনের নন এসি বাস সরাসরি খাগড়াছড়ি যায়। ভাড়া ১৬০ টাকা।

খাগড়াছড়িতে ভালো মানের আবাসন ব্যবস্থা আছে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের ‘পর্যটন মোটেল’য়ে। শহরের আগে চেঙ্গি নদীর তীরে এ মোটেলে এসি দ্বৈত কক্ষ ২ হাজার ১শ’টাকা, আর সাধারণ দ্বৈত কক্ষ ১ হাজার ৩শ’টাকা।

এছাড়া খাগড়াছড়ি শহরের অন্যান্য সাধারণ মানের হোটেল হল—হোটেল শৈল সুবর্ণা, হোটেল চমক, হোটেল গাইরিং, হোটেল ফোর স্টার ইত্যাদি। এসব হোটেলে ৫শ’থেকে ২ হাজার ৫শ’টাকায় কক্ষ পাওয়া যাবে।

গুহায় প্রবেশের জন্য মশাল না নেওয়াই ভালো। কেননা অনেকে মশাল নিয়ে ঢুকলে ভেতরের সরু জায়গায় ধোয়ার কারণে অক্সিজেনের অভাব হয়। সেজন্য আগে থেকে হেড ল্যাম্প নিয়ে যেতে পারেন।

আলুটিলা গুহার ভেতরে একটি জায়গা বেশ সরু, তাতে ভয় পাওয়ার কিছুই নেই। শিশুদের নিয়ে গুহার ভেতরে না যাওয়াই ভালো। 

Posted In:    

Related Blogs

Amazing Sajek
  • Author: Jannatul Islam

Sajek is located in the verdant hills of Kasalong range of mountains amidst the serene and exotic beauty…

Shopping in Dhaka
  • Author: Jannatul Islam

Bashundhara City

লালবাগের ফুল বাগিচায়
  • Author: Jannatul Islam

লালবাগ কেল্লায় সবচাইতে আকর্ষণীয় এবং দর্শনীয়…

Beautiful Bangladesh
  • Author: Jannatul Islam

A country that is a diverse and intriguing mix of culture, tradition and unforgettable beauty is an…